অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: রাজগঞ্জ-সহ জেলার ৭ আসনে ভরাডুবি তৃণমূলের। জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলায় ৮-০ ব্যবধানে হার রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের। রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড়। তৃণমূলের এই বিপর্যয়ের দায়ভার পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের ওপরই চাপালেন রাজগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক খগেশ্বর রায়। সোনাজয়ী স্বপ্নার হারের পেছনেও আই-প্যাকের নীতিকেই দোষ দিলেন খগেশ্বর।

রাজগঞ্জ তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০০৯ সালের উপ নির্বাচনে এই মাটিতেই জোড়াফুল লাগিয়েছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ খগেশ্বর রায়। এরপরে ২০১১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা বিধায়ক ছলেন তিনি। এবারে ওই কেন্দ্র থেকে খগেশ্বরকে টিকিট না দিয়ে প্রার্থী করা হয় এশিয়াডে সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মণকে। এই ঘটনা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে সাময়িক অসন্তোষেরও সৃষ্টি হয়। তবে, পরে স্বপ্নাকে রেকর্ড ভোটে জেতাতে আসরে নামেন সবাই। তবে, আই-প্যাকের প্রতি অতিনির্ভরশীলতাই হারাল দলকে। এমনটাই অভিমত খগেশ্বরের।
‘আই-প্যাকের প্রতি অতিনির্ভরশীলতাই ডোবাল দলকে’, খগেশ্বর।
মঙ্গলবার নিজের বাসভবন লাগোয়া কার্যালয়ে বসে ওই সংস্থাকে নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেন তিনি। তার অভিযোগ, জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে গুরুত্বই দেয়নি ওই সংস্থা। তাদের ভূল নীতির কারণেই স্বপ্নাকে হারতে হল বলে মনে করেন তিনি। জলপাইগুড়ির বাকি আসন গুলির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য বলে জানান জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান। এই আসনে স্বপ্না বর্মণ কে দাঁড় না করানোই উচিত ছিল বলে মন্তব্য খগেশ্বরের। যদিও, আগামীদিনে পার্টি ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশাবাদী খগেশ্বর।
#CCNTD #tmc # rajganj #khageshwar


