অম্বুবাচি নিবৃত্তিতে আমিষ-নিরামিষে ভোগ মায়ের। মায়ের পাতে পড়ল কাতল মাছ, পায়েস, লুচি, মিষ্টি-সহ রকমারি পদ। শুক্রবার রীতিমেনে ঘটা করে পুজোও হল শহরের ঐতিহ্যবাহী বৈকুন্ধপুর রাজমন্দিরে। পুজো শেষে, আগত ভক্তদের মাঝে বিতরণ করা হল প্রসাদও। মনের ইচ্ছে, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কথা নিঃসঙ্কোচে মাকে জানালেন ভক্তরা।

এদিন সকাল থেকেই সাজো রব বৈকুন্ঠপুর রাজএস্টেটের চত্বরে থাকা ‘জাগ্রত’ কালী মন্দিরে। এই মন্দিরে মায়ের কাছে নিস্কাম ভাবে কেউ কিছু চাইলে খালি হাতে ফেরেন না বলে দাবি। বহু ইতিহাস, আমলের সাক্ষী বিশ্ব সিংহ- শিষ্য সিংহের এই রাজবাড়ি। এদিন বংশপরম্পরায় রাজ পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করা শিবু ঘোষালের তত্ত্বাবধানে চলে বিশেষ পুজো।

প্রথমে গঙ্গাজলে মাতৃপ্রতিমার স্নান করানো হয়। পরে পঞ্চগব্য দিয়ে বোধন। নতুন বস্ত্র পরানো হয় মাকে। বৈকুন্ঠনাথ, ডাকিনী, যোগিনী-সহ সবাইকে নতুন বস্ত্র পরিয়ে পুজো করা হয়। অম্বুবাচি শেষ হতেই আম, সাবু, দুধ, কলা, লুচি, পায়েস, মিষ্টি-সহকারে ভোগ নিবেদন করা হয়। কালিকাপুরাণ মতে পুজো হওয়ায় মায়ের ভোগে থাকে কাতল মাছও।
রাজ পুরোহিত শিবু ঘোষাল বলেন, ‘মা খুব জাগ্রত। সবার মঙ্গল কামনা করলাম। সন্ধ্যায় নিয়ম মাফিক সন্ধ্যারতি হবে।’


