অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি; তৃণমূলের কৃষ্ণ দাসের মতো দাপুটে নেতাকে ভোটে অস্তিত্বহীন করে দিয়েছেন তিনি। ঘুম ভাঙে কাক-ডাকা ভোরে। সদর দরজা খুলতেই হাজির দলীয় নেতা কর্মীরা। থাকেন প্রত্যাশীরা। শুরু হয় বিধায়কের দরবার। বিধানসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের রূপরেখার পরিকল্পনাও শুরু হয় সকালেই। তারপর হাল্কা টিফিন করে এলাকা পরিদর্শন। শহরে থাকলে একই রিটিন বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারীর। হাইস্পিড বাইক আর মাদকের কারবারই এখন মাথাব্যথার কারণ বিধায়কের। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ‘জিরো টলারেন্সের’ নিদান দিয়েছেন তিনি। পুলিশি তৎপরতায় সুফলও অনেকটাই মিলেছে বলে দাবি।

বিধায়ক বলেন, ‘শহর ও বাঁধের রাস্তায় অনেকেই বেপরোয়া গতিতে বাইক, গাড়ি চালাচ্ছেন। চালক, আরোহীর পাশাপাশি প্রাণসংশয় হতে পারে পথচারীদেরও। পুলিশ ও প্রশাসনকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এতে কিছুটা কাজ হয়েছে।’ এদিকে যুব সম্প্রদায়ের একাংশ মাদকের নেশায় আসক্ত। পরবর্তী প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। কিছু জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয়দেরও লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লেই পুলিশকে জানাতেও বলা হয়েছে। অসামাজিক কাজের আশু নিয়ন্ত্রণ দরকার। শুধু পুলিশি ধরপাকড়ে হবে না। সন্তানের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে অভিভাবকদেরও।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েই নির্ধারিত কর্মসূচিতে বেরিয়ে যান বিধায়ক।


