অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: শহর থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বেই ওই এলাকা। অনুন্নয়নের ছাপ স্পষ্ট। বর্ষা এলেই ফি বছর বাড়ে ভোগান্তি। জলে-কাদায় পথ চলা দায়। বিগত আমলে কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শহর লাগোয়া মুণ্ডাবস্তির বেহাল দশার খবর পেয়েই রবিবার সাতসকালে ছুটলেন জলপাইগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। কথা বললেন ভুক্তভোগীদের সঙ্গেও। আপাতত স্বস্তি ফেরাতে পদক্ষেপের আশ্বাস বিধায়কের। পরে, মুণ্ডাবস্তির উন্নয়নে ‘মাস্টার প্লানেরও’ ভাবনা বিধায়কের।

শহর লাগোয়া চা বাগান সংলগ্ন মুণ্ডাবস্তির ধার দিয়ে বয়ে গিয়েছে করলা নদী। বর্ষার অতিরিক্ত জল খাল ও নর্দমার মাধ্যমে করলায় গিয়ে পড়ে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, তৃণমূল আমলে অপরিকল্পিত কাজের মাশুল গুনছেন তারা। নদীতে না পড়ে, জলে জলাকার হচ্ছে মূল সড়ক। এর ওপর রয়েছে কাদা। এ বিষয়ে তৃণমূল জন প্রতিবিধির প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

স্থানীয় প্রভাস কুমার দাস, সোমা রায়, সুব্রত সূত্রধর জানান, সংস্কারের অভাবে রাস্তার হাল বেহাল। বর্ষায় অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এক কোমড় জলে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে স্কুলে পাঠাতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে আপাতত একটা সমাধান সূত্র বের করার কথা বলেন বিধায়ক।

তিনি বলেন, ‘এখানে ৯০ শতাংশই কেটে গিয়েছে। ১০ শতাংশ কাজ হয়েছে। কমবেশি আড়াই হাজার মাবুষ ক্ষতিগ্রস্ত। অবৈজ্ঞানিক কাজের ফলেই এই অবস্থা।’ পরে, মুণ্ডাবস্তির উন্নয়নে বিশেষ নজর দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন অনন্তদেব অধিকারী।


