অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: আকাশ কালো করে এলেই ‘ডর’ লাগে সকলের। বর্ষা এলেই জলের সঙ্গে ঘরকন্না। সম্বৎসর এক চিত্র। আমল বদল হলেও কমল না জমাজলের দুর্ভোগ। রাজগঞ্জের বীরবান দাসপাড়ার বাসিন্দারা একপ্রকার মেনেই নিয়েছেন এই ভবিতব্য। তবে, তাদের আশা এই আমলে জল-যন্ত্রণার উপশম হতে পারে।

আষাঢ়ে বৃষ্টির শেষ নেই। রাতভর বৃষ্টি হলেই ফের জলমগ্ন হয়ে পড়ে রাজগঞ্জ ব্লকের বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বীরবান দাসপাড়া এলাকা। জল ঢুকে পড়ে শোওয়ার ঘরে। জলে তথৈবচ রান্নাঘর। চুলো জ্বালতে বিস্তর কাঠখড় পোড়াতে হয় গৃহিনীদের। উঠোনে প্রায় হাঁটুর ওপর জল। সেই জল পেরিয়েই এ ঘর- ওঘর করেন বাড়ির লোকজন। সবচেয়ে সমস্যায় পড়ছেন বয়স্ক ও খুদেরা। জমা জলের দুর্ভোগে আতান্তরে পড়েছেন সবাই। ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। জলবদ্ধতায় লাটে উঠেছে আইসিডিএস সেন্টারের কাজও বলে অভিযোগ।
দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়ে এসেছেন স্থানীয়রা। তৃণমূল আমলে আশ্বাস জুটলেও কাজের কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন একাংশ তৃণমূল নেতা। স্থানীয়দের দাবি, নিকাশি ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠলে জলবদ্ধতার সমস্যা আর থাকবে না। বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তারা।

জেলা বিজেপির মুখপাত্র শ্যাম প্রসাদ বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এলাকাভিত্তিক সমস্যার সমাধান করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন।’ তাঁর আরও সংযোজন, আমজনতাকে বঞ্চিত করে আখের গুছিয়ে নিয়েছেন পূর্বতন শাসকদলের নেতারা। তার ফলশ্রুতিতেই ভুগছেন সাধারণ মানুষ। তবে, আমরা সমস্যার সমাধান করব।


