সিসিএন তরাই ডুয়ার্স ব্যুরো: ফকল্যান্ডের যুদ্ধে জয় ইংল্যান্ডের। ঠিক তার চার বছরের মাথায় ফুটবল যুদ্ধে দিয়োগো মারাদোনার হাত ও পা কাঁদিয়ে ছেড়েছিল ইংল্যান্ডকে। মারাদোনার উত্তরসূরিও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালেন। ইতিহাসের পাতায় এক হয় গেলেন দুই আর্জেন্টিনীয়, মারাদোনা আর মেসি, দুই কিংবদন্তী। আটলান্টায় মেসির অ্যাসিস্টে এল জয়সূচক গোল। ফের ইংল্যান্ড হারল ২-১ গোলে।

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড মানে শুধু ফুটবল না, এটা ইতিহাস, একটা রক্তক্ষরণ। জমজমাট উত্তেজনাৃয় এই খেলায় 55 মিনিটে Anthony Gordon এর গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। একসময় মনে হয়েছিল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার দৌঁড় শেষ। কিন্তু ১০ নবরের নীল-সাদা জার্সির ঐতিহ্য নিয়ে মাঠে তখন মেসি। 85 মিনিটের মাথায় মেসির পা থেকে বল উড়ে গেল। Enzo Fernandez এর বুলেট শট। সমতা ফেরাল আর্জেন্টিনা। তবে, ৪৪ বছরের প্রতিশোধের তখনও বাকি ছিল। 90+2 মিনিট। আবার মেসি। আবার ক্রস। আর হেডে Lautaro Martinez। ১ গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা। আটলান্টা স্টেডিয়ামে থাকা আর্জেন্টিনীয় দর্শক আর কোটি কোটি টিভির দর্শকদের চোখে তখন জল। এই জল আবেগের। যুদ্ধ জয়ের। ১৯ বছরের এক ইংরেজ ডিফেন্ডার হার-জিতের মাঝেই চেয়ে নিলেন মেসির জার্সি। এটাই বোধহয় এই সেমি ফাইনালের সেরা প্রাপ্তি।

আর্জেন্টিনা ফাইনালে। মেসি আরও একবার বিশ্বকাপ ছোঁয়ার 90 মিনিট দূরে। প্রতিপক্ষ স্পেন। স্পেনীয় আর্মাডাকে কি ‘গাউচো বাহিনী’ বিধ্বস্ত করতে পারবে, আশায় বুক বাঁধছেন আর্জেন্টিনীয়া।


