অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ‘”রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধুমধাম’ ‘কণিকা’ কাব্যে লিখেছিলেন কবিগুরু। আর এই রথযাত্রার দিনেই শারদীয় উৎসবের সূচনা হল জলপাইগুড়ির একাধিক পুজো কমিটিতে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই একাধিক বিগ বাজেটের পুজো কমিটি খুঁটি পুজোর মাধ্যমে দুর্গাপুজোর সূচনা করে। এদিন রায়কতপাড়া বারোয়ারি,দিশারী, আদরপাড়া সর্বজনীন ও পাণ্ডাপাড়া সর্বজনীন-সহ একাধিক পুজো কমিটির খুঁটি পুজো হয়।
জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার পুন্যতিথিতে খুঁটি পুজোর আয়োজন করল শহর জলপাইগুড়ির ঐতিহ্যবাহী রায়কতপাড়া বারোয়ারি দুর্গাপুজো কমিটি। থিম ও বাজেটের বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ পুজো কমিটি। তবে তাদের দাবি, মণ্ডপসজ্জার অভিনবত্য এবারেও মন ছুঁয়ে যাবে দর্শকদের। এদিন পুজো উপলক্ষ্য কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি খুদেদের নিয়ে ভিড় করেন স্থানীয়রাও।

পুজো কমিটির সহ-সভাপতি অপু বিশ্বাস বলেন, ‘একশো বছর হতে চলল এই পুজোর বয়স। এবারেও চমক থাকছে। দর্শকদের আনুকূল্য এবারেও পাবো।’ পুজোয় উপস্থিত সমাজসেবী মনোজ সা বলেন, ‘ঐহিত্যবাহী এই পুজোকে ঘিরে আমাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বেশ কিছু সামাজিক কাজও করা হবে।’

দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে মণ্ডপসজ্জা হতে চলেছে বিগ বাজেটের দিশারীতে। মাতৃপ্রতিমা আসছে নবদ্বীপ থেকে। মায়াপুরের ডেকোরেটর কাজ করছেন বলে জানান কমিটির সম্পাদক সত্যব্রত দে। সামাজিক কাজও করা হবে বলে দাবি সম্পাদকের। এদিন খুঁটি পুজোয় হাজির ছিলেন সদর বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। তিনি বলেন, ‘মণ্ডপে চমক থাকছে। পুজো সবার ভালো কাটুক, আনন্দে কাটুক।
অন্যদিকে, এদিন পাণ্ডাপাড়া সর্বজনীনের খুঁটি পুজো হয়। ৭৭ তম বর্ষে খুঁটি পুজোর মাধ্যমে দুর্গাপুজোর মণ্ডপসজ্জার কাজ শুরু করল মুহুরিপাড়া সর্বজনীনও।


