Homeউত্তরবঙ্গআষাঢ়ে বৃষ্টিতে 'রেইন কাট', শিকেয় যান চলাচল

আষাঢ়ে বৃষ্টিতে ‘রেইন কাট’, শিকেয় যান চলাচল

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: আষাঢ়ে বর্ষায় ভোগান্তির একশেষ। টানা বর্ষণে ফের ক্ষত-বিক্ষত জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া সানুপাড়ার গদাধর ক্যানেল রোডের একাংশ। যাতায়াত যন্ত্রণার শিকার এলাকার মানুষজন। কিছু অংশ চলাচলের অগম্য হয়ে পড়েছে বলেও অভিঢ়োগ। খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত ও সেচ দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় জন প্রতিনিধি গণেশ ঘোষ। পদক্ষেপের আশ্বাস খড়িয়া জিপি-র।

শহরের পুর এলাকার দক্ষিণ ধার ঘেঁষে থাকা হাজার কয়েক জনসংখ্যা বিশিষ্ট সানুপাড়ায় উন্নয়ন সেভাবে হয়নি বলে অভিযোগ। এর আগেও ওই রাস্তার বেহাল দশায় সমস্যায় পড়েন মূলত ওই এলাকায় বসবাসকারী নিম্ন আয়ের মানুষজন। সে বারে প্রশাসনিক উদ্যোগে রাস্তার কিয়দংশ সংস্কার হলেও, এবারের টানা বর্ষণে বিপত্তি বেড়েছে। রোগী নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন পরিজনেরা। স্কুলে যাতায়াতে ঝুঁকি নিয়েই চলছে পড়ুয়ারা। কর্মস্থলে যেতে গিয়ে বিস্তর ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। ক্যানেল রোডের একাধিক স্থানে ‘রেইন কাট’ হওয়াশ টোটো, বাইক চলাচলেও দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েই যাচ্ছে। স্থানীয়দের একাংশ বলেন, ‘দ্রুত রাস্তা মেরামত করে চলাচল যোগ্য করে দেওয়া হোক। ঘুরপথে আদরপাড়া হয়ে জিপি অফিস, পাণ্ডাপাড়া, বাজার, হাসপাতাল যেতে সময় ও অর্থ -দুয়েরই অপচয় হচ্ছে।’ এবিষয়ে সেচ দফতরের নির্বাহী বাস্তুকারকে স্মারকলিপিও দিয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্য গণেশ ঘোষ। এর পাশাপাশি খড়িয়া জিপির দৃষ্টিও আকর্ষণ করেন তিনি।

গণেশ ঘোষ, পঞ্চায়েত সদস্য, সানুপাড়া।

গণেশ বলেন, ‘প্রতি বর্ষায় সমস্যা বাড়ে। এর আশু সমাধান প্রয়োজন। রাজ্যে নতুন সরকার এসেছে, দেখা যাক কতটা কাজ হয়।’ এবিষয়ে সেচ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে খড়িয়া জিপির উপপ্রধান মনোজ ঘোষ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। অফিসে অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ চলছে। এর ফাঁকেই পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments