Homeউত্তরবঙ্গভালোবেসে পরিচর্যা ছোট থেকেই, বনসৃজন স্কুলে

ভালোবেসে পরিচর্যা ছোট থেকেই, বনসৃজন স্কুলে

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: চারাগাছ লাগিয়েই দায়িত্ব শেষ নয়। ছোট্ট সেই চারাগাছকে পরিণত করতে হবে মহীরূহে। শুধুমাত্র বক্তৃতা বা রোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই আলোচনা সভা, আবৃত্তি, নৃত্য ও নাটক পরিবেশনা ও পড়ুয়াদের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে শহর লাগোয়া ঝাকুয়াপাড়ার এক বেসরকারি বিদ্যালয়ে অভিনব সচেতনতার পাঠবপড়াল জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাব। সঙ্গে প্রধান অতিথি হিসেবে রইলেন সামাজিক বনসৃজন বিভাগের বিভাগীয় বনাধিকারিক সজল সরকারও।

বনসৃজন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে শুক্রবার ওই স্কুলে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হাজির ছিলেন বর্ষীয়ান নাগরিক দেবাশিস গুহ, বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল-সহ অন্যরা। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে চারা রোপণ ও পরিচর্যার গুরুত্ব সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। আয়োজক সংগঠনের কর্ণধার রাজা রাউত-সহ উপস্থিত বক্তারা বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বনসৃজনে উৎসাহ বাড়াতে….

রাজা রাউত বলেন, “প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।” এদিন নিজেদের হাতে চারাগাছ রোপণ করে খুশি পড়ুয়ারাও। পরিচর্যার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তাও নিশ্চিত করে। এই ধারণা পড়ুয়াদের মাঝে তৈরি দেওয়ার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আয়োজকেরা। এর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণে যাতে অভিভাবকেরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে আসেন তার বার্তাও দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি সায়েন্স ও নেচার ক্লাবের তরফে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments