Homeউত্তরবঙ্গমশা মারতে আপাতত মোতায়েন ৪৬ হাজার গাপ্পি

মশা মারতে আপাতত মোতায়েন ৪৬ হাজার গাপ্পি

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: মশা মারতে কামান দাগা নয়। ভরসা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই। মশার লার্ভা মারতে গাপ্পি মাছেই ভরসা প্রশাসন ও পুরসভার। বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নর্দমায় গাপ্পি মাছের চারা ছাড়া হয়।

মশা দমনে ভরসা গাপ্পি। ছবি: পিনাকী সীল।

বর্ষা শুরু হয়েছে শহরে। এই বর্ষায় উপরিপাওনা মশার উপদ্রব। একতলা, দোতলা ছাড়িয়ে তাদের অত্যাচার শুরু হয়েছে বহুতলেও। গত বছর মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ায় দুশ্চিন্তায় ছিল প্রশাসন ও স্বাস্থ্যদপ্তর। গত বছর জলপাইগুড়ি পুরসভা এলাকায় ২৬ জন আক্রান্ত হয়ে ছিলেন এডিস মশা বাহিত এই রোগে। সূত্রের খবর এখনও পর্যন্ত ৩ জন মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ ছুঁইছুঁই বলে সূত্রের খবর। স্বাস্থ্য দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ‘বিশেষ অভিযানে’ নেমেছে পুরসভা।
মশাদমনের পদক্ষেপের পাশাপাশি জঙ্গল লাগোয়া এলাকা, শহরতলি ও শহরে জনসচেতনতা প্রসারে ব্যাপক জোরও দেওয়া হয়েছে। এবারে পরিস্থিতির মোকাবিলায় আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হল শহরে।

জমা জলে স্প্রে করার পাশাপাশি শহরের নালা, নর্দমা, জলাশয়ে প্রথম দফায় ছাড়া হলো ৪৬ হাজার গাপ্পি মাছ। মশা মারতে স্প্রে অভিযান চলছে। চলছে বাড়ি বাড়ি সচেতনতার কর্মসূচি। এরমধ্যে জলাশয়ে মশার লার্ভা খাদক এই গাপ্পি মাছ ছাড়ায় ডেঙ্গু বাহক এডিস মশাদের বংশ আতুর ঘরেই নির্মুল করা সম্ভব হবে। এমনটাই অভিমত দপ্তরের।

রক্ষাকর্তা এরাই।

পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারভাইজার স্নেহাংশু বর্মণ ও ওয়ার্ড সুপারভাইজার প্রদীপ দত্ত।

পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারভাইজার স্নেহাংশু বর্মণ ও ওয়ার্ড সুপারভাইজার প্রদীপ দত্ত জানান, মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছে। ওয়ার্ডভিত্তিক সার্ভেও হয়েছে। পুর ও গ্রামীণ এলাকাতেও কাজ চলবে। গাপ্পি মাছ মশার লার্ভা খেয়ে ওদের বংশবৃদ্ধি আটকাবে। সেপ্টেম্বরে আবারও কার্যক্রম চলবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments