সিসিএন তরাই ডুয়ার্স ব্যুরো: নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয় ও ২০২৩ সালের ভয়াবহ ঘটনা থেকে সতর্কতা। সিকিমের ৪০টি হিমবাহ হ্রদকে বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ। যার মধ্যে অন্তত ৭টি হ্রদ অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ বা ‘হাই রিস্ক’ তালিকায় রয়েছে বলে জাতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর। সম্ভাব্য ‘গ্লেশিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড’ রুখতে তড়িঘড়ি প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া হয়েছে। বিপর্যয় রুখতে আপাতত ৩টি মাস্টারপ্ল্যানও হাতে নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সিকিমে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৪০০টিরও বেশি হিমবাহ হ্রদ রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি হ্রদকে চরম সংবেদনশীল ও মারাত্মক বিপজ্জনক হিসেবে রয়েছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমকে’ আরও শক্তিশালী করছে সিকিম সরকার। শাকো চু, কেরং এবং দোলমা সাম্পাং— এই তিনটি দুর্গম উচ্চতার পয়েন্টে ইতিমধ্যেই স্বয়ংক্রিয় মনিটরিং স্টেশন কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে, যা ২৪ ঘণ্টা রিয়েল-টাইম তথ্য পাঠাচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর।
নেপালের সাম্প্রতিক বিপর্যয়ে কয়েকশো মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। ২০২৩ সালে লোনার্ক হ্রদ বিপর্যয়ে তিস্তা নদীর জলোচ্ছ্বাসে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয় সিকিম। যার রেশ এসে পড়ে উত্তরবঙ্গের একাংশেও। এবারে তাই বিপর্যয় মোকাবিলায় কোনও খামতি রাখতে চাইছে না সিকিম সরকার। বিপদজনক হ্রদের জলস্তর নামিয়ে আনা, সুরক্ষা প্রাচীর তৈরি সহ একাধিক পদক্ষেপ দ্রুত নিতে চলেছে সিকিম সরকার।(ছবি:সমাজমাধ্যম)


