অভিষেক সেনগুপ্ত, বাংলায় পালাবদল।আচঁ এসেছে তিস্তা-করলা পারেও। দিনবাজারের পুরানো জরাজীর্ণ মার্কেট কমপ্লেক্স নিয়ে এবারে আশার আলো দেখছেন ‘রাজার বাজার’ দিনবাজারের ব্যবসায়ীরা। এর আগে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে পেভার্স ব্লক বসানো হয়েছিল দিনবাজারের রাস্তায়। তবে, একাধিক আশ্বাসেও পুরানো খোলস ছেড়ে নতুন রূপ পায়নি জরাজীর্ণ ওই ভবন। নতুন সরকার আসায় এবারে আশায় বুক বাঁধছেন ব্যবসায়ীরা। প্রচারে এলে বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারীকেও তারা সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন বলে দাবি দিনবাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতির।

বাম আমলে ‘রাজার বাজার’ কে আধুনিক রূপ দিতে এই মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি হয় বলে দাবি। তবে ওই কমপ্লেক্সে কোনও দিনও ব্যবসা সেভাবে জমেনি বলে অভিযোগ বিক্রেতাদের একাংশের। বর্তমানে ওই ভবনটি থেকে চাঙড়, পলেস্তারা খসে পড়ছে। বট-পাকুরের মোটা শিকড় আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলেছে ভবনের একাংশকে। বেশ কয়েক জায়গায় লোহা বেরিয়ে পড়েছে। ইতিউতি ঝুলছে বিদ্যুতের তার। ওই ভবনে রীতিমতো ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছেন একাংশ ব্যবসায়ী ও দোকানের কর্মচারিরা। এর আগে বাজারের ভেতরের রাস্তা দখল মুক্ত করে পেভার ব্লক বসায় পুরসভা। তবে ভবনের মূল সমস্যা মেটেনি একাধিক আশ্বাস ও পরিদর্শন সত্ত্বেও। এই জরাজীর্ণ ভবন নিয়েই আশঙ্কায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। পুরসভার তরফে শুধুমাত্র বিপদজনক ভবনের বোর্ড লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

যে কোনও সময় চাঙড় খসে জখম হতে পারেন ক্রেতারাও। এই ভয়ে থাকেন বিক্রেতারাও। ভবনের ভেতরে বিদ্যুতের তারের অবস্থাও তথৈবচ। দিনবাজারের এক ব্যবসায়ী তন্ময় দে বলেন, “ভবনটি বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। তার ওপর রাত বাড়লে সমাজবিরোধীদের আড্ডাও বাড়ে।”


আরেক ব্যবসায়ী ভূপেন্দ্র নাথ দে জানান, এখামে সবাই ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসা করছেন। রাস্তার ওপরে ত্রপল থাকায় চাঙড় খসে পড়ে বড় ক্ষতি আটকানো গেছে। তার আরও সংযোজন, ভবনএিকে না ভেঙে প্রয়োজনীয় অংশ মেরামত করলেই বহুদিন টিকে যাবে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কথাও বলেন অনেক ব্যবসায়ী। এ বিষয়ে বর্তমান পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়কে ফোনে পাওয়া যায়নি। উপ-পুরপ্রধান সন্দীপ মাহাতো কোনও বিষয়েই এখন মন্তব্য করবেন না বলে জানান।

আগামীকাল মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ। বিজেপির একাংশ নেতা কর্মী কলকাতার পথে।

দলের টাউন মণ্ডল সভাপতি মনোজ শা বলেন, “আমি নিজে ব্যবসায়ী হয়ে ওদের সমস্যাটা বুঝি। বর্তমান বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারীকে নিয়ে আবারও পরিদর্শন করিয়ে শীর্ষমহল থেকে অনুমোদন আনবো। কারও কোনও ব্যবসার ক্ষতি হতে দেব না।”
ও


