Homeউত্তরবঙ্গঝড়ে ব্যাহত জনজীবন

ঝড়ে ব্যাহত জনজীবন

জলপাইগুড়ি: ভোর রাতে কিছু সময়ের বিধ্বংসী ঝড়। এর জেরেই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ল সদর ব্লকের মণ্ডলঘাট, নন্দনপুর-বোয়ালমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা। উপড়ে গিয়েছে বহু গাছ। ক্ষতির কবলে শতাধিক ঘরবাড়িও। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সমস্যা আরও বাড়ে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন জলপাইগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতের বিধ্বংসী ঝড়ে ওই এলাকার কয়েকশো পরিবার ক্ষতির মুখে। এর পাশাপাশি ঝড়ের জেরে রেল পরিষেবাও ব্যাহত হয় বলে দাবি। প্রশাসনের নির্দেশে ওই এলাকায় কাজ শুরু করেছেন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। রেল লাইনে গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করে পরিষেবা স্বাভাবিক করে রেল দফতর। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা নির্মলা রায় বলেন, “আমাদের ঘরের সব চাল ভেঙে গিয়েছে। বাচ্চারা প্রচন্ড ভয় পেয়েছে। প্রশাসন সহায়তা করুক।”

নির্মলা রায়, ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দা।

স্থানীয় মামনি মজুমদার বলেন, “ভয়ে বাচ্চাদের নিয়ে খাটের নীচে ঢুকেছিলাম। ঘরের অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাড়ির আশেপাশের বেশ কিছু গাছও ভেঙে গিয়েছে।” এদিন সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী বলেন, “এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিডিও সাহেবকে ক্ষতিপূরণের কথা বলেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শুকনো খাবার বিলির ব্যবস্থাও করতে বলেছি। দলীয় নেতাদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট চেয়েছি।”

বেলা বাড়তেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জোরকদমে কাজ শুরু হয় প্রশাসনের তরফে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ভোর রাতের ওই ঝড়ে বোয়ালমারি নন্দনপুর, খারিজা বেরুবাড়ি ১, খারিজা বেরুবাড়ি ২ এর অমরখানা শালবাড়ি, ডাঙাপাড়া-সহ ১৮-১৯টি গ্রাম কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, হতাহতের কোনও খবর নেই। ঝড়ে দু’শোর মতো পরিবার ক্ষতির মুখে পড়েছে। দেড়শো বাড়ি কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট দফতর।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments