Homeউত্তরবঙ্গখরা কাটিয়ে সাফল্য জলপাইগুড়ির, মাধ্যমিকে দশম অর্চিস্মান

খরা কাটিয়ে সাফল্য জলপাইগুড়ির, মাধ্যমিকে দশম অর্চিস্মান

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: অবশেষে শিক্ষা ক্ষেত্রে খরা কাটল জলপাইগুড়ির। এবারের মাধ্যমিকে ৭০০ নম্বরের মধ্যে ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করলেন জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের অর্চিস্মান মজুমদার। তার সাফল্যে খুশির হওয়া জেলার শিক্ষা মহলে।

বিজ্ঞান বিভাগে ‘হান্ড্রেডে হ্যাট্রিক’ করেছে আদপে শিরিষতলার বাসিন্দা অর্চিস্মান মজুমদার। মজুমদারবাড়ি ও প্রতিবেশীদের মাঝে এখন খুশির হাওয়া। বায়োলজি তার প্রিয় বিষয়, ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে জনসেবা করতে চায় জেলা স্কুলের এই ছাত্র। পড়ার কোনও সময়সীমা ছিল না। বিজ্ঞান বিভাগটা বুঝিয়ে দিতেন তার বাবা তথা আনন্দচন্দ্র কলেজের কম্পিউটার বিভাগে কর্মরত অমিত মজুমদার। তিনিববলেন,”ওর সহপাঠীরাও ভালো ফল করেছে। ২-১ নম্বর কম পেয়েছে ওর জনাকয়েক বন্ধু। ছেলের সাফল্যে অবশ্যই আপ্লুত।” মোট তিন জন গৃহশিক্ষকের কাছে পড়েছে অর্চিস্মান। সে বলে, “অনন্য অনুভূতি হচ্ছে। আমার পরিশ্রম সার্থক।” স্কুল শিক্ষকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সে। অর্চিস্মান বলেন, চিকিৎসাকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে চাই। এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করব। তবে, অবসরে গীটার বাজানো আর খেলা-দুইই থাকবে।”

গতবছর, ২০২৫ সালে জলপাইগুড়ি জেলায় মাধমিকের সামগ্রিক ফল খারাপ হয়। রাজ্যে পাশের হার ৮৬ শতাংশের বেশি হলেও এই জেলায় ৭৬.৭৯ শতাংশ ছাত্র ও ৭৩.৬৭ শতাংশ ছাত্রী কৃতকার্য হয়। মেধাতালিকায় স্থানও জোটেনি। উদ্বেগে ছিল শিক্ষা মহল। তবে, এবছর ফের মেধাতালিকায় জলপাইগুড়ির ছাত্র। স্বস্তি শিক্ষক মহলে।

জলপাইগুড়ি জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ই বলেন, “এই ফল প্রত্যাশিতই ছিল। অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আমরা সব ছাত্রের পাশেই থাকি। কারও কোন বিষয়ে খামতি থাকলে তার জন্যও আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়।”

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments