অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: প্রয়াণ দিবসে সূচনা আর জন্ম দিবসে সমাপ্তি। ভারতকেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ,মুখোপাধ্যায়ের মতাদার্শ ও কর্মকাণ্ড রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগে রাজ্য সরকারের। এক পক্ষকাল ধরে শহর ও জেলার সব স্কুলেই চলছে নানা কর্মসূচি। শনিবার শহরের সদর পাড়মিক বালিকা বিদ্যালয়ে ঘটা করে হল বর্ণময় অনুষ্ঠান। হাজির রইলেন সদর পূর্ব মণ্ডলের এসআই মিঠুন দাস, মুন্নাজ হ্যাপি হোমের প্রধান শিক্ষক তনয় কান্তি দাস-সহ অন্যরা।

কলকাতার ভারতভুক্তি সমর্থনে, দেশের অখন্ডতা রক্ষা কিম্বা কাশ্মীরের বিশেষ অধিকারের বিরুদ্ধে সে সময় আপোষহীন লড়াই করেছিলেন জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামা প্রসাদ মজুমদার। তাঁর মৃত্যু আজও রহস্যাবৃত। সামাজিক ন্যায় বিচারের ক্ষেত্রেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই কনিষ্ঠতম উপাচার্যের অবদান অনস্বীকার্য। তবে একশ্রেণীর প্রভাবশালীর চাপে সেই তথ্য গোপন ও বিকৃত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তনয় কান্তি দাস।

এসআই মিঠুন দাস বলেন, ‘সরকারি নির্দেশেই কর্মসূচি চলছে। নতুন প্রজন্ম তাঁর কথা জানুক। নতুন প্রজন্ম জাতীয়তাবোধে উদ্ধুদ্ধ হোক। পাঠ্য বইয়ের বাইরে থেকেইনবিভিন্ন ধরণের বই পড়ে আমাদের জ্ঞান বাড়াতেবহবে। আর এই গরমেও ছাত্রীদের আগ্রহ দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।”

এদিন সকালের তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে প্রচুর পড়ুয়া ও অভিভাবক আসেন। প্রবন্ধ প্রতিযোগওতায় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। হয় যোগ প্রদরশনীও। মিডডে মিলেও এদিন ছিল বৈচিত্র্য। পনিরের পাশাপাশি খাওয়াশেষে আইসক্রিমে মিষ্টিমুখও হয়। এক খুদে ছাত্রী শিবান্যী সরকার বলেন, ‘এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে ভালো লাগছে।’

স্কুলের প্রধান শিক্ষক অরূপ দে বলেন, “স্কুলের সব শিক্ষক শিক্ষিকা মিলে এই আয়োজন করেছি। ড. শ্যামাপ্রসাদের জীবনী, কর্মযজ্ঞের বিষয়ে অজানা অনেক বিষয় জানতে পারলাম। প্রদর্শনী ও আলোচনা চক্রও আয়োজিত হল।’


