অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: এবারে আশ্বাস নাকি তিস্তার জলে ভাসবেন, ভাবছেন তিস্তাপারের মানুষজন। গত বার ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও কাজ তেমন হয়নি বলে অভিযোগ। সামনেই বর্ষা আসছে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হয়েছে দিনকয়েক। এবারেও বন্যার ভয় মনে নিয়েই দিনযাপন করছেন শহরের তিস্তাপারের বাসিন্দারা। এদিকে নির্বাচন বিধি উঠে গেলেই কাজ হবে বলে জানিয়েছে সেচ দফতর।

১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর তিস্তা নদী তে বাঁধ দিয়ে নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।পরবর্তী সময়ে একাধিকবার বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলেও বাধের জোরে রক্ষা পেয়েছেন বাসিন্দারা। তবে ২০২৩ সালের ভয়াবহ বন্যার ধাক্কায় কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে বিবেকানন্দ পল্লীর বাঁধ। চরম ভোগান্তিতে পড়েন অসংখ্য মানুষ। বাঁধের রাস্তা ব্যবহার করে তিস্তা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালি উত্তোলন করাকেই বাধ দুর্বল হয়ে পড়ার জন্য দায়ী করছেন বাসিন্দাদের বড় অংশই। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্যার। গত বছর বর্ষায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাঁধ দিয়ে জল ঢুকতে শুরু করে। কোনও মতে জোড়াতালি দিয়ে পরিস্থিতির হাত থেকে রক্ষা করে প্রশাসন। এবারে বাঁধ সংস্কার না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

তবে সেচ দপ্তরের দাবি, বন্যা নিয়ন্ত্রণে যে কাজ গুলো অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ধরা রয়েছে তার মধ্যে বিবেকানন্দ পল্লীর ক্ষতিগ্রস্ত নদী বাঁধ রয়েছে। সেচ দফতরের উত্তর-পূর্ব বিভাগের মুখ্য বাস্তুকার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক বলেন, “আমরা সংস্কার কাজের প্রক্রিয়া এগিয়ে রেখেছি। নির্বাচন বিধি উঠলে ও নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে অনুমোদন পাওয়া মাত্রই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করা হবে।”
#TeestaEmbankment #Jalpaiguri #CCN Tarai Dooars


