অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ফের মুকুটে নয়া পালক জলশহরের। ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কাউন্সিলের তরফে এ বছরে ‘ন্যাশনাল ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ পুরস্কার পেলেন বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালের হেলথ সুপারভাইজার তথা জলপাইগুড়ির বাসিন্দা গীতা কর্মকার। মঙ্গলবার তার হাতে সম্মানীয় এই পুরস্কার তুলে দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ১৯৭৩ সাল থেকে দেশে এই পুরস্কারের প্রচলন হয়।

বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে কর্মরত অবস্থায় অবসর নেন গীতা কর্মকার। তার অবসর গ্রহণের অনেক আগেই এই পুরস্কারের জন্য তার সুপারিশ জমা পড়ে। এর আগে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও গ্রামীণ হাসপাতালে নিরলস পরিষেবা দিয়ে গিয়েছেন গীতা কর্মকার। এই দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এই পুরস্কার পেলেন বলে জানান আদপে শান্তিপাড়া এলাকার বাসিন্দা গীতা। তিনি বলেন, “এই পুরস্কার পেয়ে আমি আপ্লুত ও গর্বিত।” স্বাস্থ্য পরিষেবার সর্বোচ্চ সম্মান গীতা কর্মকার পাওয়ায় খুশি স্বাস্থ্য-সহ শহরের বিভিন্ন মহল। ৬০ বছর বয়সী বিশেষ ভাবে সক্ষম গীতা কর্মকার এরপরেও সেবামূলক ও সামাজিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলে মনে করছেন জলপাইগুড়ি নাগরিক সংসদের সভাপতি চিকিৎসক পান্থ দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, “উনি আমাদের জেলা তথা রাজ্যের গর্ব।”


স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার পরে অবসরে নিজের শখও পূরণ করেন গীতা কর্মকার। কাপড়ের টুকরো কেটে, শিশি-বোতল দিয়ে রকমারি গৃহসজ্জার সামগ্রী তৈরির নেশাও রয়েছে তার।


