অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ভোট গণণার দিনই কলকাতার এক বিশ্ব বিদ্যালয়ের ডিএসও-প্রভাবিত পড়ুয়াদের ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। চিকিৎসাধীন ২ জন। লেলিনের মূর্তিতেও গেরুয়া আবির মাখানোর অভিযোগও উঠেছে। এদিকে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে পথে নামলেন এসইউসিআই নেতা কর্মীরা। রাজ্যে প্রকৃত শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করলেন তারা।

ডিএসও কর্মীদের ওপর আক্রমণ ও লেলিনের মূর্তিতে গেরুয়া আবির লেপার ঘটনায় বিজেপি-প্রভাবিত এবিভিপি সমর্থকদের দিকেই অভিযোগ এসইউসিআই নেতাদের। জিয়াগঞ্জের ঘটনাকে রাজনৈতিক সৌজন্যের পরিপন্থী বলেই মনে করছেন এসইউসিআই নেতারা। জেলা সম্পাদক সুজিত ঘোষ জানান, ক্ষমতায় না আসতেই হিংসার ঘটনা ঘটাচ্ছে গেরুয়া শিবির। এদিকে ওই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব শান্তি ও নিরপেক্ষতার কথা বলছেন। সংখ্যালঘুদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে শহর লাগোয়া একাংশে দুই ডানপন্থী দলে সংঘর্ষও হয়েছে। পূর্বতন শাসকদল হেরে গিয়ে খুন জখমের রাজনীতি করছে। এদিন বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে হরিভক্ত সর্দার, জীবন সরকার-সহ অন্য নেতা কর্মীরা জমায়েত করে শহরে প্রতিবাদী মিছিল করেন। ভোট-পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তাও তারা দেন। নেতারা বলেন, তৃণমূলের অপশাসন, সন্ত্রাস, দুর্নীতি থেকে মুক্তি পেতেই নতুন দল ক্ষমতা এসেছে। সেই সরকার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করুক। দলের রাজ্য নেতারা রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বলে দাবি জেলা সম্পসদকের।

জেলা বিজেপির মুখপাত্র শ্যাম প্রসাদ পাল্টা বলেন, “এ রাজ্যে প্রথম জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় এসেছে। এতে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু দলের গায়ে লেগেছে। অকারণে বিজেপিকে বদনাম করা হচ্ছে, যেখানে খোদ বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা খুন, জখমের শিকার হচ্ছেন। পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে আমাদের দলীয় কর্মীরা হুমকি ও হামলার শিকার হচ্ছেন।”


