জলপাইগুড়ি: পদ থেকে অপসারণের পরেও পুরানো বিলে সই করার অভিযোগ উঠল জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান লৈক্ষ্যমোহন রায়ের বিরুদ্ধে। ওই সময়ে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের সদস্যরা সংসদে এসে পড়ায় তিনি পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশও। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লৈক্ষ্যমোহন রায়।


সংসদে চেয়ারম্যান আসার খবর পেয়ে সোমবার সেখানে যান অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের সদস্যরা। তাদের অভিযোগ, সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে গোপনে অপসারিত চেয়ারম্যান স্কুল মেরামতি-সহ বিভিন্ন ফাইলে সই করছিলেন। বসানো হচ্ছিল পুরানো তারিখও। বছর দুই-তিন আগের বিলেও সই করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

ওই শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য কমিটির যুগ্ম সম্পাদিকা কাকলি মণ্ডলের অভিযোগ, “আমাদের দেখে উনি ঘাবড়ে যান। কোনও প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়েই তড়িঘড়ি চলে যান।” ঘটনার খবর পেয়ে ডিপিএসসিতে পৌছয় যুব মোর্চার সভাপতি পলেন ঘোষের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা। সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ ওঠে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান। পুলিশের পাশাপাশি দপ্তরেও খবর দেওয়া হয়। জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্যামলচন্দ্র রায় বলেন, “পুরানো তারিখ দিয়ে সই করা ঠিক নয়। পুলিশ এসেছে। জেলাশাসককেও বিষয়টি জানিয়েছি। তদন্ত হবে।”


