অমিত বণিক, জলপাইগুড়ি: জলশহরে ‘ঝালমুড়ি এফেক্ট’। মুড়ির বিক্রি বাড়ল বহুগুণ। চর্চায় ‘তিস্তা-মুড়ি’। দেদারে মুড়ি বিক্রিতে খুশি বিক্রেতারা। সকাল থেকেই দিনবাজারের মুড়িহাটিতে ভিড় জমাচ্ছেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা ও গৃহস্থরা।

বাংলায় এসে প্রধানমন্ত্রীর ঝালমুড়ি খাওয়া থেকে শুরু। রাজ্যে পালাবদলের পরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঝালমুড়ি জনসাধারণের হাতে তুলে দেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। এরপর থেকেই নাকি মুড়ির বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। এমনটাই দাবি দিনবাজারের মুড়ি বিক্রেতাদের। লাল-সাদা নয়, খাস্তা ও ফোলা মুড়ির চাহিদাই বেশি বলে জানান তারা। এই মুড়ি কিনে আচার, তেল, মশলা সহকারে ঝালমুড়ি বানিয়ে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। খেয়ে প্রশংসা করেছেন গ্রাহকেরাও। ময়নাগুড়ি থেকে আসছে এই বিশেষ মুড়ি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এর নাম দিয়েছেন ‘তিস্তা-মুড়ি’। বর্তমানে কেজি প্রতি দাম প্রায় ৫০–৫২ টাকা। নাগেশ্বরী মুড়ির দাম তুলনামূলক বেশি হলেও তিস্তা মুড়িই ঝালমুড়ির জন্য বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

দিনবাজারের জনৈক মুড়ি বিক্রেতা বলেন, “আগে যে পরিমাণে মুড়ি বিক্রি হত, এখন তার থেকে কয়েক গুণ বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঝালমুড়ি বিক্রেতারা মূলত এই মুড়ি কিনলেও, অনেক গৃহস্থের পছন্দের তালিকায় চলে এসেছে এই মুড়ি।” দিনবাজারে মুড়ি কিনতে আসা এক ঝালমুড়ি বিক্রেতা বলেন, “তিস্তা স্পার-সহ শহরের একাধিক জায়গায় ঘুরে ঝালমুড়ি বিক্রি করি। আগের থেকে এখন অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। ভালো আয় হচ্ছে।” শহরের এই নতুন ট্রেন্ডে মুখে চওড়া হাসি মুড়ি বিক্রেতাদের।


