জলপাইগুড়ি: গ্যাস সঙ্কটের সুযোগে বেআইনি কারবার। গ্যাস গ্যাংয়ের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করলো কোতয়ালি থানার পুলিশ। দুষ্কৃতিদের তোলা হল আদালতে।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট এ দেশেও। গ্যাসের সঙ্কটে নাজেহাল বহু পরিবার। এই সঙ্কটকে কাজে লাগিয়ে রীতিমতো বেআইনি কারবার ফেঁদে বসে সজল রায় ও রবি রায়। পুলিশের খাতায় ছিঁচকে চোর হিসাবে নাম রয়েছে সজলের। অন্য দিকে, গ্যাস ডিলারের হয়ে বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে রবি। এই দুজনে মিলে একাধিক বাড়ি থেকে গ্যাস ভর্তি সিলিণ্ডার চুরি করে বেশি দামে বিক্রি করত বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, প্রশাসনিক স্তরে যখন গ্যাসের সঙ্কট মোকাবিলায় পদক্ষেপ করা হচ্ছে তখন এই সঙ্কটকে হাতিয়ার করেই অবৈধ ব্যবসা ফেঁদে বসে এই দুই দুষ্কৃতি। চড়া দামে চুরির গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করেছে তারা। পুলিশ সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ি শহর ও লাগোয়া তিনটি পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক বাড়ি থেকে সিলিণ্ডার চুরির অভিযোগ জমা পড়ে থানায়। এরপর চোর ধরতে জাল পাতে পুলিশ। নজরদারি শুরু করে সাদা পোশাকের পুলিশ। সূত্র মারফত খবর পেয়ে সজলকে টানা জেরা করতেই বেরিয়ে আসে তাদের কুকীর্তি। সজলকে কাজে লাগিয়ে এই ব্যবসা শুরু করে লাইনম্যান রবি বলে দাবি পুলিশের। চোরাই গ্যাসের সিলিণ্ডার ভাড়া দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করে এই দু’জন। সজলের পাশাপাশি রবিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার হয় ১৬টি সিলিন্ডার। ধৃতদের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে জানান সহকারী সরকারি আইনজীবি সিন্ধু রায়। গ্যাস চুরির এই গ্যাংয়ে এই দু’জন ছাড়াও আর কেউ আছে কীনা তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।


