জলপাইগুড়ি: পরিষেবায় ঘাটতি সদর হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে ক্ষোভ জলপাইগুড়ির সদ্য নির্বাচিত বিধায়কের। শুক্রবার হাসপাতাল সুপারের সঙ্গে বৈঠকে অব্যবস্থা নিয়ে সরব হবেন বলে জানালেন বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। বিধায়কের আশ্বাসে ভরসা রাখছে রোগীর পরিজনেরা।

রক্তের আকাল ব্লাড ব্যাঙ্কে। হাসপাতালে রান্না করা খাবারের মান ও রান্নাঘরের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। রোগীর পরিজনদের জন্য নির্মিত বিশ্রামাগারে জায়গায় কুলোয় না। গাছের তলায়, খোলা আকাশের নীচে কাগজ, পলিথিন, চাটাই পেতেই সময় কাটাতে হয় রোগীর পরিবারের সদস্যদের। আঁধার ঘনাতেই মশার ঝাঁকের হামলায় নাজেহাল হতে হয় সবাইকে। এদিকে রোগীদের দেওয়া খাবারের গুণগতমান ও হাইজিন নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে। জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজের অধীনস্থ সদর হাসপাতালের পরিষেবায় ঘাটতি ও অব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আগেই এসেছে বিধায়কের কাছে। এদিন আচমকা পরিদর্শনে এসে সেই সব অভিযোগের সারবত্তা খুঁজে পেলেন বিধায়ক। এদিন দুপুর নাগাদ সদর হাসপাতালে পরিদর্শনে যান বিধায়ক। ব্লাড ব্যাঙ্ক, মাতৃমা বিভাগ, ক্যান্টিন-সহ সামগ্রিক পরিকাঠামো ঘুরে দেখেন তিনি। কথা বলেন রোগীর পরিজনদের সঙ্গেও। হাসপাতাল চত্বরের অপরিচ্ছন্নতা, বিশ্রামাগারে স্থানাভাব, চিকিৎসকদের একাংশের সময়মতো না আসা সহ একাধিক বিষয় বিধায়কের গোচরে আনেন রোগীর আত্মীয়েরা। সব ঘুরে দেখে অব্যবস্থা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন বিধায়ক অনন্ত দেব অধিকারী।

তিনি বলেন, ‘পরিষেবায় অনেক ঘাটতি রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অপরিচ্ছন্নতা রয়েছে। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত নেই। সময় মতো চিকিৎসকেরা আসেন না। একাধিক অভিযোগ আগেই পেয়েছি। আগামীকাল সুপারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। এই প্রসঙ্গ গুলি তুলব।’


