Homeউত্তরবঙ্গসঙ্কটে পরিযায়ী পাখির আস্তানা, ফের জলা ভরাটের অভিযোগ জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া এলাকায়

সঙ্কটে পরিযায়ী পাখির আস্তানা, ফের জলা ভরাটের অভিযোগ জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া এলাকায়

জলপাইগুড়ি: শহর লাগোয়া এলাকায় ফের জলাজমি ভরাটের অভিযোগ। পাঙ্গা নদীতে থেকে দিনে রাতে অবৈধভাবে বালি-মাটি এনে ওই জলা বোজানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত তোড়লপাড়া-শোভাবাড়ি এলাকায় ও-ই জলাজমি ও নিম্নভূমি ভরাটের অভিযোগ পেতেই তৎপরতা পরিবেশপ্রেমী মহলে। ওই জলাভূমিতে ফি বছর প্রচুর সংখ্যায় পরিযায়ী পাখি আসে। স্থানীয়রা সযত্নে রক্ষা করেন তাদের। এছাড়া ওই এলাকার জলা গুলিতে মাছ, নিম্নভূমিতে একাধিক প্রজাতির আবাস। ইতিমধ্যেই ওই জলা রক্ষায় প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার পথে পরিবেশপ্রেমীরা।

ছবি: সংগৃহীত।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঞ্চাশ আগে দ্বারিকা প্রসাদের ওই জমিতে ইঁটভাটা ছিল। কিছু সময় পরে তা বন্ধ হওয়ায় কয়েক দশক ধরে একাধিক ছোট বড় জলাশয় ও নিম্নভূমি রয়েছে ওই এলাকায়। ওই এলাকায় এক আলাদা জীববৈচিত্র্য গড়ে উঠেছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে এই জমির বারকয়েক হাতবদল হয়েছে। এর আগেও এই জলাজমি ভরাটের চেষ্টা করা হয়। পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয়দের একাংশের তৎপরতায় তদানীন্তন খড়িয়া জিপি পদক্ষেপ করে। ফের ওই জলা ভরাটের অভিযোগ পেয়েই তৎপর হয়েছেন পরিবেশপ্রেমীরা। পরিবেশপ্রেমী মহলের কথায়, কমবেশি ১০০ বিঘার মতো জমিতে জলা ও নিম্নভূমি রয়েছে। নিম্ন ভূমিতে ৬ মাসেরও বেশি সময় জল থাকে। এ ধরণের জায়গা ভরাট আইন বিরুদ্ধ। পরিবেশের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। বর্তমান মালিক পক্ষ প্রভাবশালীদের সহায়তায় এই কাজ করছেন বলেও অভিযোগ পরিবেশপ্রেমী মহলের। এদিকে জলপাইগুড়ি শহরের করলা পারে এক ‘বিতর্কিত’ জলাভূমিতে মামলা এখন বিচারাধীন রয়েছে। তার মাঝে এই ঘটনায় উদ্বেগে পরিবেশপ্রেমী মহল।

জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবের সম্পাদক রাজা রাউত বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আমরা সক্রিয় হয়েছি। শীঘ্রই প্রশাসনের দ্বারস্থ হব। নতুন সরকারের প্রশাসনের ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। প্রয়োজনে আন্দোলন ও আইনি পথেও যাবো।’

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments