অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: পাঁচ শতাধিক বছরের পরম্পরা অমলিন আজও। রাজপাট না থাকলেও মহালয়ায় মহালয়ায় হল মৃন্ময়ী প্রতিমার চক্ষুদান। পাশাপাশি, রবিবার লোকচক্ষুর অন্তরালে চক্ষুদান করা হল পরিবারের স্বর্ণদুর্গারও। মহালয়ার অমাবস্যায় কালীপুজো দিয়ে সূচনা হল দুর্গাপুজোর।


গবেষকদের একাংশের মতে, বৈকুন্ঠপুরের রাজা শিষ্য সিংহ ও বিশ্ব সিংহ এই পুজোর প্রচলন করেন। মা এখানে তপ্ত কাঞ্চন বর্ণা। সিংহবাহিনী দেবীর সঙ্গে থাকে বাঘও৷ কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী-সরস্বতীর পাশাপাশি পুজো পান ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, জয়া-বিজয়াও। রাজবাড়ির নাটমন্দিরের ঐতিহাসিক এই পুজো দেখতে প্রতিবারই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন। এ দিন দুপুর নাগাদ তর্পণ সম্পন্ন করে প্রণত বসু-সহ রাজ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মৃন্ময়ী প্রতিমার চক্ষুদান করেন মৃৎশিল্পী। সঙ্গে থাকেন রাজ পুরোহিত শিবু ঘোষালও।
শিবু ঘোষাল বলেন, “”কালিকা পুরাণ মতে এখানে পুজো হয়। কালীপুজোর পরে প্রতিপদে ঘট বসিয়ে নবরাত্রের পুজো শুরু হবে।”
রাজ পরিবারের প্রবীণ সদস্য প্রণত বসু বলেন, ‘রাজ এস্টেটের পুজো ৫১৭ বছরে পদার্পণ করল। রাজ এস্টেটের এই পুজো ছাড়াও তদানীন্তন এস্টেটের অন্তর্গত বেশ কয়েকটি জায়গায় পুজো হত। দেবোত্তর সম্পত্তি হিসাবে এখনও সেই পুজো চলছে।


