অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: সামনেই বাঙালির প্রধান উৎসব। তিস্তাপারের শহরে শুরু মা দুর্গার আরাধনার প্রস্তুতি। পুজোর আগেই শহর ও শহর লাগোয়া এলাকার আর্ত মানুষদের মধ্যে খুশির ছোঁয়া। স্কুলের কচিকাঁচা পড়ুয়াদের হাত দিয়ে প্রায় শ’তিনেক দু:স্থ মানুষকে নতুন বস্ত্র প্রদান করা হল। বিদ্যাভারতীর পান্ডাপাড়া সারদা শিশুতীর্থের উদ্যোগে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।


সোমবার সকাল থেকেই সাজো সাজো রব স্কুলে। দুর্গাপুজোয় হাসি ফুটুক দুঃস্থজনের মুখে এমনটাই উদ্দেশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষের। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ির পান্ডা পাড়া সারদা শিশু তীর্থ স্কুলের পক্ষ থেকে অভিভাবক দের প্রদান করা নতুন বস্ত্র বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের মধ্যে দিয়েই বিতরণ করা হয় ২৫০ জন দু:স্থ মধ্যে। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুদের মধ্যে প্রারম্ভিক পর্যায় থেকেই সেবামূলক মনোভাব, সংস্কার গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই আচার্য্যদের পাশাপাশি তাদের হাত দিয়েও নতুন বস্ত্র প্রদান করা হয়।
ওই স্কুলে সদ্য নিযুক্তা আচার্য্য দেবস্মিতা সাহা বলেন, “কয়েক মাস হল এই স্কুলে যোগদান করেছি। এমন অভূতপূর্ব আয়োজন দেখে আমি সত্যিই অভিভূত।”
বর্ষীয়ান আচার্য্য তপতী মৈত্র বসু বলেন, “প্রতিবছরই বিদ্যাভারতীর অন্তর্গত আমাদের স্কুল গুলিতে এই কর্মসূচি হয়। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কুপন দেওয়া হয়েছে। এটি সংস্কারমূলক কর্মসূচি।”
আশ্বিনে তিস্তাপারের শহরে পুজোর গন্ধ। মা আসছেন সপরিবারে। তার আগে নতুন বস্ত্র পেয়ে খুশি প্রাপকেরা। জনৈকা মহিলা বলেন, ‘এ ধরণের উপহার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। পুজোর একটা নতুন শাড়ি হল। এটা পরেই বের হব।’


