সিসিএন তরাই ডুয়ার্স ব্যুরো: ফের ইবোলার থাবা কঙ্গোয়। ২০১৮ ও ২০২০ সালে এই মারণ ভাইরাসের মারাত্মক আক্রমণ ঘটে আফ্রিকার এই দেশে। সে সময় কয়েক হাজার মানুষ মারা যান এই ভাইরাসের প্রকোপে। এবারে এখনও পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে সমর্থিত সূত্রের খবর।

১৯৬৭ সালে আফ্রিকার পূর্বাংশে প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এরপরে পশ্চিম আফ্রিকা হয়ে মধ্য আফ্রিকায় এই রোগ ছড়ানোয় উদ্বেগ বহিগুণ বাড়াল স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। ডায়রিয়া, জ্বর, বমিভাব নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিমত, ফলখেকো বাদুড় থেকে এই রোগ ছড়ায়। আক্রান্ত মানুষের ব্যবহৃত সামগ্রী থেকেও অন্যের দেহে এই রোগ ছড়াতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, দেশজুড়ে ব্যাপক হারে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রতি ২০ জনের মধ্যে ১২-১৩ জন আক্রান্ত হচ্ছেন।

ভোগলিক দিক থেকে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কঙ্গো। জনসংখ্যা ১২ কোটির আশেপাশে। এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।


