HomeUncategorizedজয়েন্ট ফোরামের গেট মিটিংয়ে বাধাদানের অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে, পাল্টা প্রতিক্রিয়া বঙ্গীয়...

জয়েন্ট ফোরামের গেট মিটিংয়ে বাধাদানের অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে, পাল্টা প্রতিক্রিয়া বঙ্গীয় চা মজদুর সঙ্ঘের

সিসিএন তরাই ডুয়ার্স ব্যুরো: করলাভ্যালি চা বাগানের পরে ডেঙ্গুয়াঝাড়, জয়পুর, ভাণ্ডিগুড়ি-সহ একাধিক চা বাগানে ন্যূনতম মজুরি, পুজোর আগে ২০ শতাংশ বোনাস ও জমির পাট্টার দাবিতে গেট মিটিং করল চা শ্রমিকদের ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চ জয়েন্ট ফোরাম। তবে এই কর্মসূচি নিয়ে সাময়িক উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়ি শহর লাগোয়া ডেঙ্গুয়াঝাড় চা বাগানে। জয়েন্ট ফোরামের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের একাংশ তাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে গেট মিটিংয়ে বাধা দেয়। যদিও সে বাধা উপেক্ষা করেই গেট মিটিং হয় বলে দাবি। তবে জয়েন্ট ফোরামের অভিযোগের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বঙ্গীয় চা মজদুর সঙ্ঘ।

জয়েন্ট ফোরামের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার বোনাস, ন্যূনতম মজুরি এবং জমির পাট্টা তিন দাবি নিয়ে গেট মিটিং শুরু হয় ওই বাগানে। বাগান শ্রমিকেরা গেট মিটিংয়ে যোগ দিতে এলে তাদের জোর করে কাজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মাইক লাগানো নিয়েও বচসা হয় বিজেপি সমর্থিত কর্মীদের সঙ্গে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। মাইক ছাড়াই শুরু হয় সভা। সভা শেষে বাগানের ম্যানেজারের হাতে দাবি পত্র তুলে দেওয়া হয়। গেট মিটিংয়ে বক্তব্য রাখেন প্রফুল্ল লাকরা, রোহিত রোশন তিরকে, শুভাশিস সরকার, লাল্টু মহম্মদ প্রমূখ। জয়েন্ট ফোরামের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজার হাজার শ্রমিক। জমির পাট্টাও নেই। মালিকপক্ষের স্বার্থে কাজ করছে শাসকদল। এদিনের গেট মিটিংয়ে প্রচুর শ্রমিক সামিল হন বলে দাবি।

জয়েন্ট ফোরামের তরফে স্থানীয় চা শ্রমিক নেতা প্রফুল্ল লাকড়া, রোহিত রোশন তিরকে জানান, ন্যূনতম মজুরি, জমির পাট্টা, বোনাস-সহ একাধিক ইস্যুতে গেট মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে বিজেপি কর্মীরা। তবে, আমরা মিটিং করেছি। সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে জয়েন্ট ফোরাম।

এদিকে, বঙ্গীয় চা মজদুর সংগঠনের দাবি, সরকার সদ্য তিন মাস হল এসেছে। একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মানস মুস্তাফি, সহ-সভাপতি।

সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি মানস মুস্তাফি বলেন, “আন্দোলনের জেরে চা শিল্পের তথা উৎপাদনের কোনও ক্ষতি আমরা হতে দেবো না। সরকার ২০ শতাংশ বোনাসের কথা বলেছে। কোনও সমস্যা থাকলে চা পর্ষদ, শ্রম দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে মেটানো হবে।” তার দাবি, পাট্টা নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে। বাম ও তৃণমূল আমলেও কিন্তু এ নিয়ে কিছু করা হয়নি বলে দাবি মানস মুস্তাফির। তবে নতুন সরকার এ বিষয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। শিল্প সচল থাকলে শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে। আন্দোলনে আদপে শিল্প ও শ্রমিকদেরই ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন তিনি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments