অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ফি বছর শহর ও জেলার চিত্রকরদের প্রদর্শনী হয়। সাড়াও মেলে আশানুরূপ। শনিবার থেকে সদর শহর-সহ জেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রের হস্তশিল্পীদের সামগ্রিক শিল্পকর্ম তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ চিত্রশিল্পীদের সংগঠন ‘উইংস আর্টিস্ট গ্রুপের’। শহরের কদমতলা লাগোয়া এলাকায়, এক ভবনে আয়োজিত হচ্ছে সৃজন মেলা। শহর ও জেলার শিল্পীদের প্রয়োজনীয় ‘প্লাটফর্ম’ দিতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকেরা।
কোভিড কালের শেষ পর্বে সরকারি নির্দেশিকা মেনেই প্রথম সৃজন মেলার আয়োজন করেন অমরনাথ নন্দী, দীপঙ্কর বসু বিশ্বাস, নীলোৎপল রায়-সহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা। প্রথম ‘পরিকল্পনাই’ চূড়ান্ত হিট। এবারে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল এই মেলা। মোট ১৮ টি স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে হস্তশিল্পের নানা সামগ্রী। কেউ বানিয়েছে সুগন্ধি মোম, গৃহসজ্জার সামগ্রী। কেউবা বসেছেন অঙ্গসজ্জার সামগ্রী নিয়ে। শিশুদের জন্যও রয়েছে বাহারি হস্তশিল্পের মনমাতানো উপকরণ। রকমারি শাড়ির স্টলও রয়েছে এই মেলায়। খাবারের স্টলও রয়েছে।শনিবার সূচনার পরে রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় উৎসাহীদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়। হাতে বানানো সুগন্ধী মোম-সহ নানা পসরা নিয়ে স্টল দিয়েছেন জনৈকা কলেজ ছাত্রী তথা শিল্পী শুচিস্মিতা পাল ।তিনি বলেন, “আগে আঁকা শিখতাম। এখন হস্তশিল্পের কাজও করছি বছর দেড়েক ধরে। কিছু হাতখরচও উঠে যায়। হাতের কাজের প্রশংসাও করেন অনেকে। এ রকম কাজ করতে ভালো লাগে।”
আয়োজক সংগঠনের তরফে অমরনাথ নন্দী বলেন, “আমাদের এখানকার শিল্পীরাও কোন অংশে কম যান না। তাদের সৃজনশীলতার প্রকাশ করতেই এই মেলার আয়োজন। উৎসাহীদের তরফে ভালো সাড়া পাচ্ছি।” সোমবার এই মেলার শেষ দিন।


