জলপাইগুড়ি: ফের খবরের শিরোনামে জিলা স্কুল। প্রধান শিক্ষককে নিগ্রহের রেশ কাটতে না কাটতেই এবারে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের দু’রকমের জন্ম-শংসাপত্রের হদিশ পেল স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে কোন শংসাপত্রটি সঠিক তা জানানোর জন্য পুরসভাকে চিঠি করলেন প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুঁই। বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর পুর প্রশাসক ও কার্যনির্বাহী আধিকারিককে উদ্দেশ্য করে এই চিঠি প্রধান শিক্ষক করলেও ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এদিন।
প্রধান শিক্ষককে নিগ্রহের জেরে ইতিমধ্যেই খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে জলপাইগুড়ি জিলা স্কুল। ছুটে এসেছিলেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণও। তার নির্দেশে ৪ ছাত্রকে টিসি দেওয়া হয়। ওই চার ছাত্রকে ইতিমধ্যেই শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এক ছাত্রের দু’রকমের জন্ম শংসাপত্রের ঘটনা সামনে আসে। প্রধান শিক্ষক ধর্মচাঁদ বাড়ুঁইকে এই জন্ম শংসাপত্রের বিষয়ে ফোন করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান নি।

ওই ছাত্রের কাকা বলেন, ‘আমার ভাইপো হয় ওই ছাত্র। অনেক বছর আগেই ওর বাবা মারা গিয়েছেন। ভর্তির সময়ে কি হয়েছিল তা বলতে পারবো না। অনেক দিন আগের ব্যাপার। পুরো ঘটনাটা আমাদের জানা নেই।” রেজিস্টেশন সার্টিফিকেটে বাবার পদবির উল্লেখ না থাকায় স্কুলের দ্বারস্থ হয়ে আমরাই সংশোধনের আর্জি জানিয়েছিলাম বলে মন্তব্য করেন ওই ছাত্রের কাকা। তখনই ঘটনাটি সামনে আসে বলে সমর্থিত সূত্রের খবর।


