অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: এক শিবিরেই সব সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। শুক্রবার ঘটা করে জলপাইগুড়ি পৌর এলাকায় সূচনা হল ‘সেবা সেতু অভিযান’। আগামী ৪ অক্টোবর, রবিবার পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। প্রথম দিনেই ভালো সাড়া মিলেছে বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষের।

প্রশাসনের উদ্যোগে ও পুরসভার ব্যবস্থাপনায় শহরের ৩টি স্থানে শিবির করা হয় ২৫টি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিটি শিবির কয়েকবার ঘুরে দেখেন পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক দেবদুলাল পাত্র, ওএস তাপস দত্ত-সহ অন্যরা। পুরসভা সূত্রের খবর, ১থেকে ৬ ও ১৭ থেকে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য দিনবাজারের নতুন মার্কেট কমপ্লেক্সে শিবির করা হয়েছে। ৭ থেকে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য পুরসভার নেতাজি সুভাষ প্রয়াস হল ও ২০ থেকে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য নেতাজিপাড়া ফ্লাড সেন্টারে শিবির করা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে ওই শিবির গুলিতে বসছেন কৃষি, ভূমি, পুরসভা, বন দফতর সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মী, আধিকারিকেরা। কার্যক্রম চলাকালীন প্রতিদিন সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা-সহ একাধিক প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন উপভোক্তারা। একই ভাবে গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলিতেও শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়।

এদিন প্রয়াস হলে শিবিরে এসে এক প্রবীণা অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী টিনা গাঙ্গুলি-সহ অন্যরা।

টিনা গাঙ্গুলি বলেন, ‘বর্ষীয়ান ওই ভদ্রমহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে চটজলদি প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে তাকে অ্যাম্বুল্যান্সে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠান হয়। আমরা তার শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেব।’
এদিন সকাল থেকেই দিনবাজার মার্কেট কমপ্লেক্সের শিবির-সহ অন্য শিবিরগুলিতে উপভোক্তাদের ভীড় উপচে পড়ে। অন্নপূর্ণা প্রকল্পের বিষয় নিয়ে অনেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক দেবদুলাল পাত্র বলেন, “প্রথম দিনেই ভালো সাড়া মিলেছে। কারও যাতে কোন সমস্যা না হয় আমরা সেদিকে লক্ষ্য রাখছি। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রসঙ্গে তিনি জানান, এজন্য পুরসভার একটি বিভাগ প্রতিদিনই কাজ করছে। মানুষকে যথাযথ পরিষেবা দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য।


